কিভাবে শরীরের উচ্চতা বাড়াবো তার বৈজ্ঞানিক উপায় গুলো কি

 আমাদের বডির সবথেকে বড় বিষয় হলো এটাকে আমরা আমাদের হিসাব মতো মেনটেন করতে পারি. মানে আমরা চাইলে মোটা হতে পারি. আবার চাইলে পাতলাও হতে পারি. আর আমরা চাইলে আমাদের হাইটকেও বাড়াতে পারি. বর্তমানে সাইন্স এতটাই বেশি প্রোগ্রেস করেছে যে প্রত্যেকটা জিনিসের সাইন্টিফিক রিজন আছে. একইভাবে হাইটকে বাড়ানোর জন্যও কয়েকটি বৈজ্ঞানিক উপায় আছে. সাইন্স অনুযায়ী আমাদের হাইট মাত্র চারটি জিনিসের উপর ডিপেন্ড করে. নাম্বার ওয়ান জেনেটিক্স নাম্বার টু ডায়েট নাম্বার থ্রি. এক্সারসাইজ অ্যান্ড নাম্বার ফোর এজ. অ্যান্ড এটাও মাথায় রাখবেন যে হাইট বাড়ানোর সাথে সাথে কিন্তু আপনার ওয়েটটাও বাড়াতে হবে. তাহলেই আপনাকে রিয়েলে অনেক বেশি হ্যান্ডসাম দেখতে লাগবে আর নাহলে যদি আপনি হঠাৎ অনেকটা লম্বা হয়ে যান তাহলে আপনাকে সবাই লগা বলেও ডাকতে পারে. অর্থাৎ আপনি হাইট বাড়াতে চান কিংবা ওয়েট. আপনাকে কিন্তু অলওয়েজ সঠিক পরিমান খাবার খেতে হবে. কারণ যদি আপনার শরীর সঠিক পরিমান পুষ্টিই না পায় আপনার height কিংবা weight কোনোটাই খুব দ্রুত বাড়তে পারবে না. আর আপনাদের মধ্যে অনেক ভাইয়েরাই achan যে অনেক চেষ্টার পরেও বেশি বেশি খাবার খাওয়ার পরেও তাদের ওজন কিছুতেই বাড়ছে না. আমরা আমাদের লাইফে অ্যাপিয়ারেন্সও পার্সোনালিটিকে নিয়ে এমনিতেই অনেক বেশি কনসাস থাকে. আর মধ্যে যদি আমাদের ওজন অনেকটা কম হয় তাহলে সেটা আমাদের পার্সোনালিটির ওপর নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট ফেলে. আপনি আপনার ওয়েট বাড়ানোর জন্য হয়তো ডেইলি এক্সারসাইজ করছেন. ভালো ডায়েট ও মেনটেন করছেন. বেশি বেশি প্রোটিন জাতীয় খাবারও খাচ্ছেন. কারণ প্রোটিন আমাদের ওজন বৃদ্ধিতে অনেক বেশি সাহায্য করে. কিন্তু এতো কিছু করার পরেও যদি আপনার ওজন বৃদ্ধি না পায় তার মানে হলো আপনার body ওই প্রোটিন কে ঠিক মতো absorb ই করতে পারছে না. তাহলে আপনাদেরকে জানিয়ে রাখি যে শরীরে প্রোটিন কে ঠিক মতো absorb করার জন্য আপনি আপনার diet এ প্রোবায়োটিক অ্যাড করতে পারেন একোর্ডিং টু ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন প্রোবায়োটিকসে এমন সমস্ত এনজাইম থাকে যেগুলো প্রোটিনকে ডাইজেস্ট করার জন্য অনেক বেশি ইম্পরট্যান্ট. আজ আমি আপনাদেরকে হাইট বাড়ানোর জন্য যতগুলি টিপস দেবো সেগুলি সবই সায়েন্টিফিকলি প্রুফ. আর এই ভিডিওটি অনেক রিসার্চের পরেই বানানো হচ্ছে. সেই কারণে ভিডিওটা একদম শেষ পর্যন্ত অবশ্যই দেখুন. কারণ সবার শেষের পয়েন্ট. সব থেকে বেশি ইম্পরট্যান্ট চলুন শুরু করা যাক. তো আপনাদের মধ্যে ninety পার্সেন্ট মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন আছে. যে আমাদের হাইট কতো বছর বয়স পর্যন্ত বাড়তে পারে. অনেকেই বলেন যে আমাদের হাইট কুড়ি বছর বয়সের পর আর বাড়ে না. হ্যাঁ এটা সত্যি হলেও পুরোপুরি কিন্তু সত্যি নয়. কারণ আমাদের হাইট বৃদ্ধি ডিপেন্ড করে. পুরোপুরি আমাদের জেনেটিক্সের উপর আপনার parents এর যে হাইট তার উপর depend করে. যে আপনার parents এর height ঠিক কতটা? কিন্তু এটা প্রয়োজনীয় নয়. যে আপনার height আপনার parents এর height এর সমান হবে. কখনো কখনো এটাও দেখা গেছে যে parents এর height কম হয়. কিন্তু বাচ্চার height অনেক বেশি হয়ে যায়. আবার কিছু কিছু ব্যাপারে বাচ্চাদের height parents এর height এর থেকেও অনেক কম হয়ে যায় যদিও এটা খুবই কম মানুষের সাথেই হয়ে থাকে. কিন্তু এক্ষেত্রে ভালো ব্যাপার হলো যদি আপনার hight কম হয় তাহলে আপনি কিছু টেকনিকের মাধ্যমে নিজের height টাকে বাড়াতে পারবেন. তো আপনার height বাড়ানোর জন্য যেটা করতে হবে সেটা হলো আমাদের শরীরে অনেক ধরনের প্রেসার পয়েন্ট থাকে. মানে কিছু এমন পয়েন্ট থাকে যেগুলো যদি আপনি পুশ করেন তাহলে তার প্রভাব আপনার বডির আলাদা আলাদা অংশের উপর পড়ে. আর আমাদের হাইটকে বাড়ানোর জন্য দেহের দুটো একো প্রেসার পয়েন্ট রয়েছে. নাম্বার ওয়ান আমাদের হাতের আঙুলের সামনের রেডিয়. আর নাম্বার টু. আমাদের পায়ের আঙ্গুলের সামনের এরিয়া বিজ্ঞানীরা বলেন যে এই দুটি পয়েন্টের কানেকশন আমাদের পিটুইটারি গ্ল্যান্ডের সাথে হয়ে থাকে. আর যখন আমরা এই পয়েন্টকে পুশ করি তখন আমাদের পিটুইটারি গ্ল্যান্ড অধিক মাত্রায় প্রভাবিত হয়. আর সেই কারণেই এইচজিএইচ মানে হিউম্যান গ্রোথ হরমোন. অধিক পরিমাণে রিলিজ হয়. আর এটাই হলো সেই হরমোন. যেটা আমাদের হাইটকে বাড়াতে সাহায্য করে টিপস নাম্বার টু. আপনারা এটা খুব ভালোভাবে জানেন যে আমাদের শরীরের জন্য. ঘুম কত বেশি ইম্পরট্যান্ট. তাই প্রত্যেকদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা অবশ্যই ঘুমানো উচিত কারণ এই যে মানে হিউম্যান গ্রোথ হরমোন ঘুমানোর সময় সব থেকে বেশি রিলিজ হয়ে থাকে আর এটা যত বেশি রিলিজ হবে আপনার হাইট ততটাই বেশি বৃদ্ধি পাবে টিপস নাম্বার থ্রি ডায়েট যদি আপনার খাওয়া দাওয়া সঠিক হয় তাহলে আপনার হাইট বৃদ্ধিকে কেউই আটকাতে পারবে না আপনারা হয়তো জানেন যে প্রোটিনের সাহায্যে আমাদের মাসেলা টিস্যু গুলি তৈরি হয়. তাই হাইট বাড়ানোর জন্য সব থেকে বেশি ইম্পরট্যান্ট হলো প্রোটিন. যদি আপনি একজন ননভেজ ব্যক্তি হন তাহলে আপনি অনেক ধরনের প্রোটিনের সোর্স পেয়ে যাবেন. আপনি নিট, এগ, ফিস. এ ধরনের নানান জাতীয় জিনিস খেতে পারেন. কিন্তু যদি আপনি একজন শাখারই ব্যক্তি হন তাহলে আপনার জন্য দু আর সয়াবিনের থেকে ভালো আর কিছুই হতে পারে না. সয়াবিনের ভেতরে সবথেকে বেশি পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়. আর এটা খুব সস্তাও হয়ে থাকে. তাই যদি আপনি আপনার height কে বাড়াতে চান তাহলে এই সমস্ত প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া আজ থেকেই শুরু করে দিন. টিপস নাম্বার ফোর আপনারা সকলেই হয়তো জানেন যে এক্সারসাইজ করলে আমাদের হাইট বাড়তে পারে. কিন্তু সঠিকভাবে কেউ জানে না যে কোন কোন এক্সারসাইজ গুলি করলে আমাদের হাইট সবথেকে বেশি স্পিডে বাড়ে. তো আমি আপনাদেরকে সাতটি এক্সারসাইজ সম্পর্কে বলবো যেগুলো আপনি কন্টিনিউ. মাত্র এক মাস করলে আপনি সেই এক্সারসাইজের এফেক্টকে বুঝতে পারবেন. তো এক্সারসাইজ নাম্বার ওয়ান ওয়াল্ড স্ট্রেস এটাতে আপনাকে শুধুমাত্র আপনার সামনে একটা দেয়ালকে ধরে দাঁড়িয়ে পড়তে হবে এবং নিজের পাকে পেছনের দিকে সোজা করে নিয়ে নিজেকে সামনের দিকে পুশ করতে হবে ঠিক এইভাবে এক্সাইজ নাম্বার টু এলবিক্সিপ এন্ড পেল উইক রোলওভার এক্সারসাইজ করার জন্য আপনাকে সোজা মাটিতে শুয়ে পড়তে হবে এবং আপনার পাকে সামনের দিকে এনে আপনার পেটকে উপরের দিকে ওঠাতে হবে. এটা করা হয়ে গেলে আপনার পা দুটিকে পেছনের দিকে নিয়ে যেতে হবে. ঠিক এভাবে যেভাবে আপনি ভিডিওতে দেখতে পারছেন. এক্সাইজ নাম্বার থ্রি. কোভিড নাইস প্রেস. এটা করতে গেলে আপনাকে সেটা মাটিতে শুয়ে পড়তে হবে. এবং আপনার হাতকে নিচে রেখে বডিকে উপরের দিকে ওঠাতে হবে. এক্সারসাইজ নাম্বার ফোর টাচিং টোজ. এটা করার জন্য আপনাকে মাটির উপর সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আপনার হাত দিয়ে নিচু হয়ে মাটিকে ছোঁয়ার চেষ্টা করতে হবে. হ্যাঁ প্রথমে আপনারা হয়তো এটা করতে অনেক বেশি অসুবিধা হবে. কিন্তু এটা আপনাকে প্রত্যেকদিন প্র্যাকটিস করতে আর এভাবেই আপনার ব্যাকের যে স্পাইনাল কর সেটা খুলে যাবে. এবং এর ফলে আপনার হাইট খুব তাড়াতাড়ি বাড়তে শুরু করবে. এক্সারসাইজ নাম্বার ফাইভ ফরওয়ার্ড স্পাইন এস্ট্রেস. এটা করার জন্য আপনাকে মাটিতে সোজা হয়ে বসে এক পাকে আগে বাড়িয়ে অন্য পাকে ভাঁজ করে রেখে আপনার মাথাকে সোজা রেখে পায়ের সাথে লাগানোর চেষ্টা করতে হবে. এক্সারসাইজ নাম্বার সিক্স হ্যান্ডিং বার. আপনারা তো এটা ভালোভাবেই জানেন যে হ্যান্ডিং বা এক্সারসাইজ আমাদের হাইট বৃদ্ধির জন্য কত বেশি ইম্পরট্যান্ট. তাই আপনি এই এক্সারসাইজটিকে রোজ দশ মিনিট অবশ্যই করুন. এক্সারসাইজ নাম্বার সেভেন কিপিং. আপনি যতটা পারবেন জাম্প করুন. আর জাম্প করার জন্য এই টুলস টিও বাই করতে পারেন. নাহলে নর্মাল জাম্পও করতে পারেন. কারণ যখন আমরা জাম্প করি তখন আমাদের বডির লক পার্টসগুলি খুলতে শুরু করে. এবং এর ফলে এই যে আরো বেশি পরিমাণে রিলিজ হয়. সো আপনাকে এই সাতটি এক্সারসাইজ কে regular তিরিশ মিনিট অবশ্যই করতে হবে. আর এই exercise গুলি মাত্র তিরিশ দিন করলেই আপনি রেফার নিজেই বুঝতে পারবেন. এন্ড এখন জেনে নেওয়া যাক সেই স্পেশাল ট্রিক্সের সম্পর্কে যেটা সব থেকে বেশি এফেক্টিভ হাইট বানানোর জন্য. তো আপনাকে আপনার ট্রলার এবং বসার স্টাইলকে চেঞ্জ করতে হবে. ট্রলার সব থেকে ভালো উপায় হল ফাইনাল কটকে সোজা রেখে চলা. মানে আপনার মেরুদণ্ডকে সোজা রেখে চলা. মেরুদন্ড সোজা হওয়ার উপর আপনার হাইট অনেক বেশি ডিপেন্ড করে. আর বসার সময় মানুষ এই ভুলটাই করে. তাঁরা সামনের দিকে ঝুঁকে বসেন. যার কারণেই তাদের স্পাইনাল কট আরো বেশি বেঁকে যায়. যার ফলে তাদের হাইট বৃদ্ধি পাওয়া থেমে যায়. এই কারণেই যখন আপনি বসবেন তখন আপনার স্পাইনাল কটকে সোজা করে বসুন. আরে এটা প্রুফ যে আপনার স্পাইনাল কর সোজা হওয়া আপনার হাইটের ওপর এফেক্ট ফেলে. তাই অলওয়েজ আপনার স্পাইনাল কটকে সোজা রেখে চলা উচিত. আর এই কথাটাকে আপনার মাথায় ভালো করে ঢুকিয়ে নিন. এমনকি সোজা ব্যবসার একটা উপকারিতা হল. যদি আপনি সবসময় সোজা হয়ে বসেন তাহলে আপনাকে কখনোই ব্যাক পেইনের সম্মুখীন হতে হবে না.


আপনার সময় অনেক, অনেক, অনেক ভালো কাটুক

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ