চোখের জোতি বাড়ানোর উপায়|কিভাবে চোখের জোতি বাড়াবো

 চোখ আমাদের শরীরে সবথেকে মূল্যবান অঙ্গ. আপনি আপনার চোখ ছাড়া কিছুই করতে পারবেন না. কিন্তু তবুও এই পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছে যাদের চোখের জ্যোতি অনেকটা কমে যাচ্ছে. আর কিছু লোক তো চশমাও ব্যবহার করে থাকে. কিন্তু সেটা তো আছেই. এর সাথে সাথে যদি আপনি চশমাও না ব্যবহার করেন তবুও আপনি এটা অবশ্যই চান যে আপনার চোখের জ্যোতি যেন বৃদ্ধি পাক কিছুদিন আগে আমার চোখেও কিছুটা প্রবলেম দেখা দিচ্ছিল. আর আমিও সব কিছু অনেকটা আবছা দেখতে পেতাম. কিন্তু কিছু সাইন্টিফিকলি প্রুফ টেকনিককে ইউজ করার পর এখন আমার চোখ একদম ঠিক হয়ে গেছে. এখন আমি সব কিছু একদম ক্লিয়ার দেখতে পাই. তো ভাই. আমি এমন কিছু ট্রিক সাপ্লাই করেছিলাম কারণেই আমার চোখ একদম ঠিক হয়ে যায় এবং চোখের জ্যোতি অনেকটা বেড়ে যায়.এই টিপসগুলো যদি আপনি অ্যাপ্লাই করেন তাহলে আপনার চোখ খারাপ তো হবেই না. বরং আপনার চোখের জ্যোতি আরো অনেক বেশি বেড়ে যাবে. আর ইন ফিউচার আপনার চোখ আর কখনোই খারাপ হবে না. আর যদি আপনার চোখ খারাপ হয়ে গিয়ে থাকে বা আপনার কোনো কারণে চশমার ব্যবহার করতে হয়. তাহলে এই টিপসগুলিকে অ্যাপ্লাই করার পর আপনার চশমার পাওয়ার যতই বেশি হোক না কেন কিছু মাসের মধ্যেই কিংবা কিছু সপ্তাহের মধ্যেই সেটা একেবারে ঠিক হয়ে যাবে and আজকে সবার প্রথমে আপনাদেরকে বলবো যে যদি আপনি চশমাটা ব্যবহার করেন তাহলে আপনার কি করা উচিত যাতে আপনার চোখের যদি বেড়ে যায় আপনাকে আর চশমার ব্যবহার না করতে হয় and এরপর আমরা কথা বলবো এমন কিছু tips সম্পর্কে যেগুলো আপনি apply করলে আপনার চোখ আর কখনোই খারাপ হবে না চলুন শুরু করা যাক. So টিপস number one যখন আপনি সকালে ঘুম থেকে ওঠেন তখন আপনার মুখের ভেতর থাকা লালা বা সেলাই হয়. সেটাকে আপনার আঙ্গুলে নিয়ে চোখের উপর লাগিয়ে নিন. লালারসের কিছু এমন এনজাইম থাকে যেগুলো আমাদের চোখের জন্য ভীষণ উপকারী এনজাইম আমাদের চোখে লাগে. তখন চোখ ধীরে ধীরে রিকোভার হতে শুরু করে. আর যখন আমরা এটা প্রত্যেকদিন করতে থাকি তখন আমাদের চোখের থেকে জল আসা বা আবছা দেখতে পাওয়া সমস্ত সমস্যা একেবারে ঠিক হয়ে যায়. টিপস নাম্বার টু যখন আপনি স্নানে যান তখন চোখ ভালো করে ঠান্ডা জলে ধুয়ে রোজ water use করতে পারেন. rose water এর মাত্র দুই থেকে তিন rock আপনার চোখে ভালো করে লাগিয়ে নিন. এর ফলে আপনার চোখের রেটিনা recover হতে শুরু করবে. আর যদি আপনি এর profit টা আরো বেশি করে চান তাহলে রাতে শোয়ার আগেও rose water এর দুই তিন ড্রপ নিজের চোখে লাগিয়ে ঘুমাতে পারেন টিপস নাম্বার থ্রি একটা পেন্সিল হাতে নিয়ে ধীরে ধীরে চোখের কাছে নিয়ে আসতে হবে. আবার এইভাবে চোখের থেকে দূরে নিয়ে যেতে হবে. আর এমন ভাবে এই এক্সারসাইজটা ততক্ষণ করতে হবে. যতক্ষণ আয়নায় আপনাকে কিছুটা টেরা না দেখতে লাগছে এভাবেই এক থেকে দেড় মিনিট করতে হবে. মানে যতক্ষণ আপনার চোখে জল না আসে ততক্ষণ. এভাবেই আপনার চোখ ধীরে ধীরে recover হওয়ার পাশাপাশি. এর ফলে আপনার চোখের জ্যোতিও বাড়তে শুরু করবে. টিপস নাম্বার ফোর উইক ব্লিঙ্কিং এক্সারসাইজ. এক্সারসাইজ করার জন্য আপনাকে এক জায়গায় বসে আপনার চোখকে খুব তাড়তাড় খুলতে হবে. আর বন্ধ করতে হবে. খুলতে হবে আর বন্ধ করতে হবে. এটা করার ফলে আপনার চোখের রেটিনা তার জায়গা থেকে সরে যাওয়ার কারণে আপনি যে আপচা দেখতে শুরু করেছেন. এই সমস্যা একেবারে ঠিক হয়ে যাবে. মানে আপনার চোখে রেটি না তার নিজের স্থানে চলে আসবে আর তখন আপনি আবারও আগের মতন ক্লিয়ার দেখতে পাবেন. But এটা করার আগে খেয়াল রাখতে হবে যে আপনার চোখকে খুব তাড়াতাড়ি খুলতার বন্ধ করতে হবে. মানে খুব তাড়াতাড়ি চোখ খুলতে হবে. আবার খুব তাড়াতাড়ি বন্ধও করতে হবে. অ্যান্টিপস নাম্বার ফাইভ আপনাকে ভিটামিনে আর ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে কারণ আমাদের চোখের দৃষ্টি শক্তি বাড়ানোর জন্য ভিটামিন এ, আর ভিটামিন সি ভীষণ ইম্পর্টেন্ট. এজন্য আপনাকে এমন সমস্ত খাবার খেতে হবে যাতে ভিটামিন A থাকে. যেমন গাজর, পালন, শাক এই ধরনের খাবার খাওয়া শুরু করে দিন. আর ভিটামিন সি যুক্ত খাবার যেমন টক জাতীয় খাবার, মুসম্বি, লেবু, এমন ধরনের খাবার খেতে হবে যার ফলে আপনার দেহে ভিটামিন A এবং ভিটামিনের সি এর ঘাটতি পূরণ হয়ে যায় এবং আপনার চোখের দৃষ্টি শক্তি ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে. তো বন্ধুরা এই টিপসগুলোকে নিজের উপর অ্যাপ্লাই করে এর প্রফিট আমি অনেক মাত্রায় পেয়েছি. আর আমি হান্ড্রেড পার্সেন্ট সিওর যে এই tips গুলোকে apply করলে আপনার দৃষ্টিশক্তি অনেকটা বেড়ে যাবে. আর যদি আপনি চশমাটা ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সেটা কিছু সপ্তাহ কিংবা কিছু মাসের মধ্যেই একেবারে বাদ হয়ে যাবে. তো আপনারাও কি পার্সোনালি কোন চোখের সমস্যা রয়েছে? 

আপনার সময় অনেক, অনেক, অনেক ভালো কাটুক

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ