মজাদার সাইকোলজি ফ্যাক্টস|অ্যামেজিং সাইকোলজি ফ্যাক্টস

 আপনি কি জানেন যে যারা সৎ ব্যাক্তি হয়. তাদের বন্ধুর সংখ্যা খুব কম হয়. কিন্তু যারা এদের বন্ধু হয় তারা একদম real friend হয়. এবং আপনি কি জানেন যে যে ব্যক্তি যত বেশি intelligent হয় তার ব্রেনও ততটাই speed এ কাজ করে. আর এর সাথে সাথে তার হাতও খুব স্পীডে কাজ করে. যার কারণেই তাদের hand writing খারাপ হয় 

1.human psychology বলে. যে যখন আমরা কোন জিনিসকে easily পেয়ে যাই. তো তখন আমরা সেই জিনিসটির সঠিক মূল্যবোধ করতে পারি না হোক না সেটির ডায়মন্ড বা কোন মানুষ. যদি আপনি কাউকে লাইক করেন বা যদি আপনি কারো কেয়ার করেন. তো তার মানে এ নয় যে আপনি তার জন্য সবসময় এভেলেবেল থাকবেন. এমনটা নয়. আর যদি আপনি তা করেন তো সেই ব্যক্তির কাছে আপনি নিজেই আপনার ভ্যালুকে কম করে দিচ্ছেন for example. যদি ফ্রি তে কেউ আপনাকে হিরেও দিয়ে দেয়. তো আপনি নিজেই সেই হিরেটির উপরেও সন্দেহ করবেন. যে আদৌ এটি রিয়েল না ফেক? 

2.এটি সত্য কথা বলি. শুনতে হয়তো একটু অদ্ভুত মনে হবে but এটা একটা fact যে don't revive anything you know. মানে আপনি যা জানেন বা যতটুকু জানেন আপনি আপনার ব্যাপারে সমস্ত কথা কাউকে বলবেন না. অর্থাৎ নিজের hundred পার্সেন্ট skills বা secret কে লোকেদের সামনে revill করবেন না. কারণ এটা আপনার জন্য খুবই বিপদজনক কেন? কারণ অনেক সময় লোকেরা আপনার সেই secret বা দুর্বলতা গুলিকেই আপনার বিপক্ষে ব্যবহার করবে. আর যখন লোকেরা এটি করবে তখন চাইলেও আপনি আর কিছু করতে পারবেন না. তাই নিজের hundred পার্সেন্ট skills বা secret বা দুর্বলতাকে. কারো সামনে কখনোই revill করবেন না

 3.কিছু কিছু লোক রয়েছে যারা একাই ঘুমাতে পছন্দ করে. মানে কিছু কিছু লোক এমন জায়গায় ঘুমাতে পছন্দ করে. যেখানে তার পাশে যেন আর কেউ না ঘুমায়. আর যখন এরা বিছানায় ঘুমায় তখন এরা নিজেরাই জানে না যে পা কোন দিকে চলে যায় আর মাথা কোন দিকে চলে যায়. হয়তো আপনার মধ্যেও এই কোয়ালিটি রয়েছে. বা হয়তো আপনারই পরিবারের কারোর রয়েছে. তো সাইকোলজি বলে যে এই ধরনের ব্যক্তিদের মাইন্ড. বাকি লোকেদের তুলনায় অনেকটা পজিটিভ এবং ক্রিয়েটিভ হয়ে থাকে আর হ্যাঁ, এই সকল লোকেরা কম কথা বলতেও পছন্দ করে. কিন্তু যখন বলে তখন প্রয়োজনীয় কথা. 

4. আপনি হয়তো এই কথাটি অবশ্যই শুনেছেন যে লাইফে রিস্ক নিতে কোনদিনই ভয় পাওয়া উচিত নয়. তাই না? যদিও এটি সত্য কথা. কারণ রিস্ক না নেওয়াই হল সব থেকে বড় রিস্ক তো সাইকোলজি বলে যে সকল রিস্ক কিন্তু সমান হয় না. মানে রিস্ক কথাটি. এক এক ব্যক্তির উপর এক এক ভাবে কাজ করে. ফর এক্সাম্পল. যে ব্যক্তিটি উইদাউট এনি ফিয়ার. প্যারাসুট নিয়ে উঁচু থেকে ঝাঁপ দিতে পারে একই ব্যক্তি হয়তো তার বস বা তার বউকে দেখে খুব ভয় পায়. আবার এমনও হতে পারে যে কোন ব্যক্তি যে কিনা physically খুব strong, বেশ স্বাস্থ্যবান. কিন্তু সেই ব্যক্তির পাশ দিয়ে যখন কোন কুকুর পার হয়ে যায় তো তখন সে ভয় পেয়ে যায়. বা কোন মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে ভয় পায়

 5. আচ্ছা, আপনি কি একজন ভেজিটেরিয়ান? নাকি নন ভেজিটেরিয়ান? সাইকোলজি বলে যে একজন নন ভেজিটেরিয়ান. অর্থাৎ এমন একজন ব্যক্তি যে কিনা মাছ, মাংস, ডিম, এগুলিকে বেশি খাই. তাদের মধ্যে থেকে বেশিরভাগ লোকেরাই ইরিটেশনের শিকার হয়ে থাকে আর এই সকল লোকেরা দ্রুত কোনো বিষয়ে রেগে যায়. কিন্তু এরই ওপর দিকে যারা vegetarian হয় অর্থাৎ এমন লোক যারা শাকসবজি ফলমূলকে বেশি প্রিফার করে. এই সকল লোকেরা non vegetarian লোকেদের তুলনায় অনেক কম ডিপ্রেশনের শিকার হয়.ডাবলুএইচওর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী বেশি নন ভেজ খাবার. ব্যক্তির মধ্যে ক্যান্সারের ঝুঁকি কেউ বাড়িয়ে দেয়. 

6. কিছু কিছু লোক রয়েছে. যারা নিজের কেয়ার করার পরিবর্তে অপরের কেয়ার করতে বেশি ভালোবাসে. এরা নিজের পরিবর্তে অন্যকে বেশি priority দেয় আর এদের মধ্যে সবসময় এই ভয়ে লেগেই থাকে যে সে যেন তাকে হারিয়ে না ফেলে. হয়তো আপনিও এটা করেন. কিন্তু আপনি কি জানেন যে সাইকোলজির হিসেবে. যদি আপনি এইসব ছেড়ে দিয়ে মানে অপরের কেয়ার করা ছেড়ে দিয়ে নিজের কেয়ার করা শুরু করেন. নিজের গোল এবং ভিজেনের উপর ফোকাস করা শুরু করেন. তো আপনার behaviour একেবারেই পরিবর্তন হয়ে যাবে. আপনি বর্তমানের তুলনায় অনেকটা better feel করতে পারবেন. এমনকি আপনি বর্তমানের তুলনায় অনেকটা attractive ও good looking ও হয়ে উঠবেন. তো যদি আপনি লাইফ এ happy থাকতে চান তাহলে এই ধরনের ব্যক্তি হওয়া শুরু করে দিন. আর এই ধরনের ব্যক্তিদের কেয়ার করা ছেড়ে দিন যে কিনা আপনার কেয়ারই করে না. 

7. ক্রিকেট খেলার সময়. আপনি কয়েনটস তো অবশ্যই করেছেন. আর না ভেবেচিন্তে হেড বা তেল বলেছেন. তাই না? কিন্তু এই সাইকোলজিকাল ট্রিকটিকে জানার পর আপনার টস জেতার সম্ভাবনা কিছুটা বেড়ে যাবে আপনি হয়তো ভাবেন যে hates না tails হবে. তার রেশিও তো fifty fifty. কিন্তু একটি scientific study অনুযায়ী. কয়েনের যে অংশটি উপরের দিকে থাকে. সেটি আসার সম্ভাবনাই বেশি থাকে. আর টসের রেশিও ফিফটি ফিফটি নয়. বরং ফিফটি-ওয়ান ইজটু ফর্টি নাইন for example. Tos করার সময় যদি ওপরে head থাকে. তো হেড আসার সম্ভাবনা fifty one পার্সেন্ট থাকে. এবং tail আসার সম্ভাবনা forty nine পার্সেন্ট থাকে. 

8. আমাদের brain সব সময় আমাদেরকে অপরের সাথে তুলনা করে মানে এটি সব সময় নিজেকে অপরের সাথে relate করতে থাকে. For example যদি আপনি নিজের থেকে বেশি মোটা কোনো লোকের সামনে বা তার আশেপাশে দাঁড়িয়ে থাকেন. তো সেই সময় নিজেকে আপনি পাতলা মনে করেন. আর যখন আপনি চিকন ব্যক্তিকে দেখেন তো নিজেকে মোটা ফিল করা শুরু করেন. সিমিলারলি. যদি আপনি কোন ধনী ব্যক্তিকে দেখেন তো নিজেকে গরীব মনে করবেন. আর গরীব ব্যক্তির মাঝে আপনি নিজেকে ধনী মনে করবেন. অর্থাৎ সামনের ব্যক্তিটি যদি আমাদের থেকে কম থাকে তাহলে আমরা নিজেকে বেশি মনে করি. আর যদি সামনের ব্যক্তিটি বেশি হয় তো আমরা নিজেকে কম মনে করি এই জন্যেই নিজের তুলনা কখনোই কারো সাথে করবেন না. আপনি কেবলমাত্র নিজের বেস্ট ভার্সনের উপর কাজ করতে থাকুন. 

9. এই ফ্যাক্টটি প্রহেলিকা কমিউনিটির ফিমেল সদস্যদের জন্যে. মেয়েরা কোনদিনই নিজের সৌন্দর্যে স্যাটিসফাই হয় না তারা সবসময় অন্য মেয়ের সৌন্দর্য্যকে নিজের সৌন্দর্যের তুলনায় বেশি মনে করে.

 10. ফ্যাট নাম্বার ওয়ান, সাইকোলজির একটি রিপোর্ট অনুযায়ী. বর্তমানে মানুষের কোন জিনিসের উপর অ্যাটেনশন স্প্যান ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে attention স্প্যান অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি হাইলি কতক্ষন অব্দি কোনো একটি জিনিসের উপর focus থাকতে পারছে তো এটি recent রিপোর্ট অনুযায়ী গত দশ বছরে মানুষের attention span কুড়ি মিনিট থেকে কমে বারো মিনিট হয়ে গেছে অর্থাৎ লোকেদের attention power ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে. আর এই জন্যেই আপনি দেখবেন যে আগে YouTube এ লোকেরা বড়ো এবং knowledge এ বলে ভিডিও কে দেখতো. কিন্তু এখন ছোট ছোট ভিডিও যেমন shorts এবং Instagram reels বেশি দেখতে পছন্দ করছে. মানে লোকেদের attention টাইম period কমে যাচ্ছে যা আমাদের ব্রেনের জন্যে একেবারেই ভালো নয়.

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ