How to stop masterbation|কিভাবে হস্তমৌতুন করা থামাবো

 আমাদের মানব শরীরের জন্য বীর্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে. যেমন একটা গাছ খাওয়া ছাড়া শান্ত হয়ে পরে. তেমনই একজন মানুষ. বীর্য ছাড়া শুকনো আর শান্ত হয়ে যেতে পারে. যদি কোন মানুষের ভেতর রক্তের পরিমাণ কম থাকে এবং সে যদি তার বীর্যকে কখনোই নষ্ট না করে. তাহলে সে দীর্ঘায়ু হতে পারে. কারণ আপনার শরীরের জন্য রক্তের থেকে বেশি প্রয়োজনীয় হল বীর্য আপনারা কি জানেন যে আপনাদের শরীরের ভেতর বীর্য কিভাবে উৎপন্ন হয়. প্রত্যেক মানুষের শরীরে আলাদা আলাদা পরিমাণ বীর্য উৎপন্ন হয়. কোনো কোনো মানুষের শরীরে একই সময়ে কম মাত্রায় বীর্য উৎপন্ন হয়. আবার কোনো কোনো মানুষের শরীরে বেশি পরিমান উৎপন্ন হতে পারে মানুষের জীবনে বেঁচে থাকার জন্য, খাবার খাওয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয়. এটা যারা তার বেঁচে থাকাই অসম্ভব. মানুষ যতটা খাবার খায় সেই সমস্ত খাবার পেটে এসে পরিপাক হয়. এবং খাদ্যরসে পরিণত হয়. তারপর সেই রস পাঁচদিন পর্যন্ত পরিপাক হয়ে রক্তের উৎপাদন হয়. সেই রক্ত পাঁচ দিন ধরে পরিপাক মাংস উৎপন্ন হয়. পাচনের এই প্রক্রিয়া এক মিনিটের জন্য বন্ধ হয় না. প্রথমটাকে পাচিত করে দ্বিতীয়. দ্বিতীয়কে পাচিত করে তৃতীয়. এরপর চতুর্থ. এভাবে পর পর করে সকল পদার্থ প্রাচিত হতে থাকে. আর প্রত্যেক ক্রিয়ার ফলে অবশিষ্ট পদার্থ, মল, মূত্র, ঘাম. প্রভৃতির রূপে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়. এভাবে পাঁচদিন পর মাংস থেকে অস্থি, অস্থি থেকে মজ্জা এবং মজ্জা থেকে সপ্তম সার পদার্থ, বীর্য উৎপন্ন হয়. এই বীর্যের আর পাচন হয় না. আর তখন এই বীর্য শক্তি রূপে সমস্ত শরীরে ঝলমল করে. মহিলাদের শরীরে এই সপ্তম শুদ্ধ বিশুদ্ধ পদার্থকে রজ বলা হয় বীর্য,রজত দুটোতেই বন্ধুত্ব হয়. বীর্য কাঁচের মতো স্বচ্ছ হয় আর রজও রক্তের মতো লাল হয়ে থাকে. And এইরকম ভাবে রক্ত থেকে শুরু করে বীর্য পর্যন্ত. ছটি ধাতুর পাচন করতে প্রায় তিরিশ দিন চার ঘন্টা সময় লাগে আর আপনাদের মধ্যে অনেকেই নিজের হারিয়ে যাওয়া শক্তিকে ফিরিয়ে আনতে চান. এবং আপনার কঙ্কাল হয়ে যাওয়া শরীর কিংবা অত্যাধিক মোটা শরীরকে একটি সুন্দর ও হ্যান্ডসাম লুক দিতে চান. আর এই জন্য আপনাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো জোর করে প্রচুর পরিমাণে খাবার খাওয়ার চেষ্টা করে. দিনের অর্ধেক সময়. বাথরুমে কাটিয়ে দিচ্ছেন কারণ কোনো খাবারই আপনার হজম হতে চায় না. আর এই হজমের সমস্যা দূর করার জন্য আপনি হয়তো লোকাল ট্রেন থেকে হজম কিনেও খেয়েছেন. কিন্তু তবুও আপনার এই সমস্যার কোনো রকম সমাধান হয়নি. আর যদি এই একই প্রবলেম আপনিও face করে থাকেন তাহলে আপনি একবার হলেও মরিঙ্গা বা সজনে পাতা দেখতে পারেন. এই আয়ুর্বেদিক পপুলার না হলেও আমাদের ডাইজেশানের জন্য অনেক বেশি এফেক্টিভ. যার কারণে এই মরিঙ্গাকে মিরাক্কেলটিও বলা হয়ে থাকে. কারণ এই গাছের শিকড় থেকে শুরু করে পাতা, ফল সবকিছুই আমাদের হেলথ এর জন্য অনেক বেশি উপকারী আর আপনি জেনে হয়তো অবাক হবেন যে শুধুমাত্র মরিঙ্গা বা সজনে পাতায় বিরানব্বই রকমের নিউট্রিয়েন্স থাকে. এছাড়াও এতে ক্যালসিয়াম ও আয়রনের সাথে সাথে কমলালেবুর থেকে সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি এবং একটি কলার থেকেও পনেরো গুণ বেশি পটাশিয়াম পাওয়া যায়. যার কারণে একে সুপার ফুড বলা হয়ে থাকে. কিন্তু এই মরিঙ্গা পাতাকে ডিরেক্টলি ইউজ করা মুশকিল হয়ে যায়. তাই আপনার ডে টু ডে লাইফে মরিঙ্গা পাউডার ইউজ করতে পারেন. কিন্তু তার আগে আমি আপনাদেরকে বলতে চাই যে বাজারে আপনি অনেক ধরনের বোরিং অ্যা পাউডার পেয়ে গেলেও তার মধ্যে কিন্তু ম্যাক্সিমামই পিওর হয় না. সেই কারণেই মরিঙ্গা পাউডার কেনার আগে অবশ্যই এটা খেয়াল রাখবেন. যে সেটা যেন কোন ট্রাস্টেড ব্র্যান্ড weight টাকে control এ রাখার জন্য মরিঙ্গা পাউডার কে ইউজ করতে পারেন. এই পাউডারটি আপনার ডেলি রুটিনে অ্যাড করলে আপনার ডাইজেশান অনেক বেশি ইমপ্রুভ হবে. আর তখন আপনি যে খাবারগুলি খাবেন সেগুলি সঠিকভাবে এনার্জিতে কনভার্ট হবে ফ্যাটে কনভার্ট হওয়ার বদলে. যেটা আপনার ওভারঅল হেলথ কন্ডিশনকে বুস্ট করতে অনেক বেশি সাহায্য করবে এ ছাড়াও মরিঙ্গা পাউডার রয়েছে পাওয়ারফুল অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা আপনার শরীরে টক্সিন্সকে রিমুভ করে আপনার বডিকে ডিটক্সিফাই করে এবং এই পাউডারটি আপনি জলের সাথেই স্মোতি বানিয়ে ইজিলি কনজিউমও করতে পারবেন এন্ড যদি আপনি মরিঙ্গা পাউডারের সাথে সাথে proper diet  এবং daily exercise করতে থাকেন তাহলে ভাই এটি আপনার জন্য কোনো চমৎকারের থেকে কম হবে না আমি আপনাদের আগেও বলেছি যে মানুষ চল্লিশ দিন ধরে যে খাবার খায় সেই খাবারের কারণে মাত্র দশ গ্রাম বীর্য উৎপন্ন হয়. আর সেটা আপনার শরীরের ক্ষেত্রে রক্তের চেয়েও অনেক বেশি উপকারী. যদি আপনি আপনার দশ গ্রাম বীর্য কে কোন বড় হসপিটালে বিক্রি করেন. তাহলে তার দাম হিসাবে লাখ টাকা দেওয়া হবে. যেটা খুবই কম. যেটা কোটি টাকাতেও বিক্রি করা উচিত নয়. আর আপনাদের মধ্যে অনেকেই এই অমূল্য রত্নকে বিনা কারণেই নষ্ট করে ফেলেন. যে দশ গ্রাম বীর্যের দাম. পৃথিবীর সমস্ত ধাতুর থেকে অনেক বেশি. সেটাকে মানুষ বিনা কারণে. কি করে নষ্ট করতে পারে. যদি আপনারা চান তাহলে আপনারা ইন্টারনেটে কোন বড় হসপিটালে গিয়ে জানতে পারেন যে একজন মানুষের সামান্য পরিমাণ বীর্যের দাম ঠিক কতটা শরীরের কোনো নির্দিষ্ট অংশে থাকে না. পুরো শরীরেই এটি থাকে. সম্পূর্ণ শরীরই আর নিবাসের স্থান. বাদামের জবাবে তেল থাকে. দুধে যেভাবে মাখন থাকে. কিসমিসে যেভাবে মিষ্টি থাকে. ফুল আর চন্দনে যেভাবে সুগন্ধ থাকে. তেমনই বীর্য. শরীরের সমস্ত হনু আর পরমানুতেই থাকে. বীর্যের একফোঁটাও বের হওয়া মানুষের শরীরকে লেবুর মতো নিংড়ানো সমান. যেভাবে দুধকে ঘেটে দুধের উপর থেকে মাখন কেটে নিয়ে বার করা হয়. ঠিক সেভাবেই মৈথুনের দ্বারা শরীরের সকল অনুপমান্য থেকে বীর্য কেটে টেনে বার করা হয়. হস্তমৈথুনের সময় শরীরের সমস্ত নার্ভ দুর্বল হয়ে পড়ে. আর শরীরের সমস্ত অঙ্গে ট্রেন এর  মতো ধাক্কা লাগে. হস্তমৈথুন এর প্রত্যক্ষ মৈথুন ছাড়া অন্য সপ্তমৈথুন দ্বারা যে বীর্য শরীর থেকে বেরিয়ে বাইরে পতিত হয়. সেটা অখন্ড কোষে এসে থেমে যায়. এবং সেই পতিত বীর্য তেজিন হয়ে যায়. বীর্যের পতন হতেই শরীর নির্বল নিস্তেজ আর কল্পাই হয়ে যায়. আপনাদের মধ্যে অনেকেই আছেন. যারা অনেকেই চান যে আমরা আমাদের বীর্যকে কিভাবে তাড়াতাড়ি বাড়াবো. কিন্তু এই বীর্যকে বাড়ানোর আগে আপনার বীর্যকে নষ্ট করাটা বন্ধ করতে হবে. আর যদি বীর্যকে নষ্ট করা বন্ধ করে দেন. তাহলে খুব সহজ কথা যে সাধারণভাবেই বীর্য আপনার শরীরের ভেতর বৃদ্ধি পেতে থাকবে. আর আপনার শরীর উজ্জ্বল আর চকমকে হয়ে উঠবে ব্রম্ভ চর্চা  হলো সব থেকে শ্রেষ্ঠ সাধনা. আপনার বীর্যকে খুব তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি করার জন্য. আর ব্রহ্মচার্য পালনের ফলে আপনি আপনার শরীরকে অনেক বেশি মজবুত বানাতে পারবেন. যেভাবে প্রদীপে যতক্ষণ তেল ভরা থাকে ততক্ষণই প্রদীপ আলো দিতে পারে. আর যতই তেল শেষ হতে থাকে. ততই প্রদীপের আলো নিভে যেতে থাকে. ঠিক সেভাবেই বীর্য যখন আপনার শরীরে ভর্তি থাকে. তখন আপনার শরীরে চমক, উজ্জ্বলতা, উৎসাহ, আনন্দ দেখা যায়. আর যখনই এই বীর্যকে বিনা কারণে বাইরে বের করে দেন, তখন আপনার চমক, উজ্জ্বলতা, উৎসাহ, আনন্দ, শক্তি শেষ হতে থাকে. আর আপনার জীবনের প্রদীপ নিভে যেতে থাকে. আর জীবনের সর্বনাশ হতে থাকে. পৃথিবীতে এমন মানুষ এখনো আছে যারা অনেক বেশি শক্তিশালী. আর এমন অনেক মানুষ আছে যারা হস্তমৈথুন করে করে তাদের জীবনের সর্বনাশ করে ফেলেছে. আর বাকি থাকলো বীর্য বাড়ানোর কথা তাহলে বলি যে ব্রহ্মচার্য পালনের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার শরীরে বীর্যকে বাড়াতে পারবেন. আমি আপনাদের শেষবারের মতো বলছি যে বীর্য আপনাদের শরীরের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস. যার দাম কোটি টাকা হলেও সেটা কিছুই নয়. যদি আপনি বেঁচে থেকেই আপনার জীবনের সর্বনাশ করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনি হস্তমৈথুন করতে পারেন আর এটা ভালোভাবেই প্রমাণিত. যে বীর্যের পতন হওয়া শুরু হলে মানুষেরও পতন হওয়া শুরু হয়. আর সমস্ত শক্তি হ্রাস পেতে শুরু করে. যখন যখন বীর্য নষ্ট হবে তখন তখন শরীরও নষ্ট হতে শুরু করবে. যখন যখন বীর্যনাস করা বন্ধ হবে তখন তখন মানুষের তারণ্য বৃদ্ধি পাবে. মানুষ বহুদিন বেঁচে থাকতে পারবে. ব্রহ্মচার্য এমনই একটি শিক্ষা. যার ফলে মানুষ একশো বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারবে এবং তার ভেতর দৈবশক্তি প্রকট হতে পারবে. বীর্যকে তাড়াতাড়ি বাড়ানোর একমাত্র উপায় হল. আপনি ব্রহ্মচর্চার পালন করুন. ঠিক নব্বই দিন যদি আপনি একটানা ব্রহ্মচর্চার পালন করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি আপনার বীর্য পঞ্চাশ গুণ পর্যন্ত বাড়াতে পারবেন. আর পৃথিবীর সমস্ত দৈব শক্তি আপনি পেতে পারবেন. অস্তমৈথুন করে বীর্যকে নষ্ট করাটা কোন ভালো কথা নয়. যে মৈথুনের কারণে মানুষ নিজেই upset থাকে এবং নিজেই বুঝতে পারে যে এটা করে আমার নিজের শরীরেরই ক্ষতি হচ্ছে. আপনি হয়তো ভাবছেন বির্জনাস  আমার শরীরের জন্য এখন ক্ষতিকারক নয়. কিন্তু যখন আপনি বৃদ্ধ হবেন তখন এটাই আপনার শরীরের অনেক ক্ষতির কারণ হয়ে উঠবে. আমি আপনাদেরকে বলেছিলাম যে বীর্য খুবই অমূল্য. এর দ্বারা আপনি আপনার আগামীকালের ভবিষ্যতকেও নির্মূল করতে পারেন. আর বীর্যনাসের মাধ্যমে আপনি আপনার ভবিষ্যৎকে নষ্টও করতে পারেন. সবার প্রথমে আপনাকে এটা জানতে হবে যে বির্জনাসের কারণে মানুষের শরীরের ওপর কি কি প্রভাব পড়ে? আপনি যে বীর্যকে আপনার হাতের দ্বারা নষ্ট করছেন সেটারই কথা বলতে চলেছি. বীর্যনাসের ফলে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন হতে পারে. এর মানে হল আপনার শরীরে এর ফলে জ্বালা যন্ত্রণা হতে পারে যদি আপনি বীর্যনাস করে থাকেন তাহলে ডায়বেটিসের মুখোমুখি হতে পারে. বীর্যকে বিনা কারন নষ্ট করার ফলে আপনি বাচ্চার জন্ম দিতে না পারার সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন. বির্জনাসের কারণে আপনার চুল সময়ের আগেই পেকে যেতে পারে. চুল ঝরে যেতে পারে. আপনি কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্মুখীন হতে পারেন. আপনার ফুসফুস দুর্বল হয়ে যেতে পারে. এবং বাতের রোগেও ভুগতে হতে পারে. যদি আপনি ব্রহ্মচার্যের পালন করেন আর আপনার বীর্যকে রক্ষা করেন. তাহলে আপনি এই সমস্ত শারীরিক রোগের থেকে সহজেই বাঁচতে পারবেন. বীর্যনাসের কারণে ব্রেনে খুব খারাপ প্রভাব পড়ে. বীর্যনাসের কারণেই আপনি মৃগী. নার্ভাস সিস্টেম ডাউন এমনকি ব্রেন হামারেজের মতো সমস্যার সম্মুখীনও হতে পারেন. এর ফলে আপনার মন সবসময় ভবিষ্যতের চিন্তায় ডুবে থাকতে পারে. ব্রহ্মচার্যের পালনের মাধ্যমে আপনি আপনার মনের দরজায় শক্ত তালা লাগিয়ে এই সমস্ত মন খারাপের প্রভাব থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারেন. বির্জনাসের কারণে আত্মার ওপর খারাপ প্রভাব পরে. বির্জনাসের ফলে আপনার আত্মা সবসময় দুঃখী থাকে  আপনার শরীরে আপনার আত্মাই হলো রাজা আর রাজার রক্ষাকারী মন্ত্রী যদি কোনো খারাপ কাজ করে তাহলে তার দাম কিন্তু রাজাকেও শোধ করতে হয় যেমন ধরুন চোর শহীদের যে কোনো জায়গায় লাগুক না কেন ব্যথা কিন্তু আত্মা পর্যন্ত পৌঁছায় কিন্তু যদি আপনি ব্রহ্মচার্যের পালন করেন তাহলে আপনি আপনার বীর্যকে সহজেই বাড়াতে পারবেন কিছু লোক এটাও মনে করে যে ব্রহ্মচর্যের পালন করতে করতে আমাদের সাথে এমনটা হয়ে যাবে না তো যে বীর্য আসাই একেবারে বন্ধ হয়ে গেল কিন্তু আমি আপনাদেরকে বলতে চাই যে যখন আপনি হস্তমৈথুন করেন তখন হস্তমৈথুনের পরবর্তী চব্বিশ ঘন্টার মধ্যেই আপনার শরীরে বীর্য তৈরি হয়ে যায় সেটা আপনার বডির উপর ডিপেন্ড করে যে সেটা কতটা গাঢ় হবে. So ভাই বীর্যকে তাড়াতাড়ি বাড়াতে আপনাকে ব্রহ্মচার্যের পালন করতেই হবে.

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ