একজন বীর্যবান পুরুষ. সেটা আসলে কি? তার ভেতরে এমন কি কি গুণ থাকে? এবং সে কি এমন করে? যাতে সে তার বীর্যকে নিজের ভেতরে ধরে রাখতে সক্ষম হয়. যদি আপনিও একজন বীর্যবান পুরুষ হতে চান. আজকে গৌতম বুদ্ধের এমন পাঁচটি বিচার সম্পর্কে বলবো যেগুলো আপনাকে বীর্যবান হতে অনেক বেশি সাহায্য করবে.
1.কাউকে খারাপ কথা বলবেন না.
গৌতম বুদ্ধের একটি বিচার হল. কখনোই কাউকে কোন বাজে কথা বলবেন না যদি আপনি কারো সম্পর্কে ভালো চিন্তা ভাবনা না করতে পারেন তাহলে খারাপটাও ভাববেন না. আর যদি আপনি কখনো কাউকে ভালো কোনো কথা বলতে না পারেন তাহলে খারাপটাও বলবেন না. কারণ একজন বীর্যবান পুরুষ হতে গেলে প্রথমে আপনাকে আপনার মুখ থেকে বের হওয়া বিচার ও শব্দকে বদলাতে হবে. আর যদি আপনি আপনার শব্দগুলিকে বদলাতে না পারেন আপনার শব্দের উপরে কন্ট্রোল না করতে পারে তাহলে আপনি ব্রহ্মচার্য পালন করে একজন বীর্যবান পুরুষ কখনোই হতে পারবেন না.
2. কাউকে দেখে অশ্লীল চিন্তা ভাবনা করবেন না.
গৌতম বুদ্ধের বিচার হলো. কখনো কখনো মানুষ একজন মহিলাকে দেখে. তার সম্পর্কে না জানি কত অশ্লীল চিন্তা ভাবনা করে. নিজের চিন্তার মাধ্যমে সেই মহিলার কাপড় পর্যন্ত খুলে ফেলে. তাকে উলঙ্গ করে ফেলে. আর যখন একজন পুরুষ একজন মহিলাকে দেখে তখন সে শুধুমাত্র তার শরীর আর অঙ্গকেই দেখে. কিন্তু যদি আপনি একজন মহিলাকে দেখে তার সম্পর্কে অশ্লীল চিন্তা ভাবনা করেন বা আপনার অশ্লীল দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে তাকে উলঙ্গ করে ফেলেন তাহলে আপনি কোনদিনই ব্রহ্মচার্য পালনের মাধ্যমে বীর্যবান পুরুষ হয়ে উঠতে পারবেন না.
3. ব্রহ্মচার্যকে নষ্ট করা কিছু কথা.
গৌতম বুদ্ধের বিচার অনুযায়ী ব্রহ্মচার্য নষ্ট করার কিছু কথা আছে. যেমন ধরুন কোনো মানুষ বহুদিন ধরে ব্রহ্মচার্য পালন করছে. এবং এটাও ভাবছে যে আমি আর কখনোই ব্রহ্মচার্যের পালন করা ছাড়বো না. কিন্তু পরিস্থিতির কারণে সে তার ব্রহ্মচার্যকে নষ্ট করে ফেলে. এর জন্য আপনাকে শুধুমাত্র আপনার চিন্তা ভাবনাকেই বদলাতে হবে. কারণ আপনার মন একবার বলে যে হস্তমৈথুন করা উচিত নই আবার আরেক সময় আপনার মন এটা বলে যে একবার করলেই বা কি হবে? আর আপনার যে নেগেটিভ মন আছে সেটা আপনাকে দিয়ে হস্তমৈথুন করিয়েই নেয়. আর আপনার ব্রম্ভচার্যকে নষ্ট করিয়ে ফেলে. আর পরে আপনি আফসোস করেন. তাই যদি আপনি একজন বীর্যবান পুরুষ হতে চান তাহলে আপনাকে একদম ভেতর থেকে পাল্টাতে হবে. কারণ বাইরের থেকে পুরো পৃথিবীই ভালো. যতক্ষণ আপনি নিজের চিন্তাভাবনা বদলাতে না পারবেন. ততক্ষণ আপনি বীর্যবান পুরুষ হয়ে উঠতে পারবেন না. অর্থাৎ চিন্তাভাবনা বদলালে তবেই আপনার পৃথিবী পাল্টাবে. যে মানুষের চিন্তাভাবনা খারাপ সে পৃথিবীর জন্য ভালোটা কিভাবে ভাববে? মেয়েদের প্রতি ভালো চিন্তা ভাবনা কি করে করবে? যদি আপনার চিন্তা ভাবনা নোংরা হয়. তাহলে আপনি মহিলাদের নিয়ে ভালো চিন্তা ভাবনা করতেই পারবেন না. আর না কখনো একজন বীর্যবান পুরুষ হয়ে উঠতে পারবেন.
4. প্রথমে ব্রহ্মচার্যের সঠিক মানেটা বোঝো.
গৌতম বুদ্ধের বিচারে এটাও আসে. যে একজন বীর্যবান পুরুষ হতে গেলে প্রথমে ব্রহ্মচার্যের সঠিক মানেটা বুঝতে হবে. কারণ আজকালকার যুবকরা শুধুমাত্র এটাই ভাবে যে বীর্য ধরে রাখলেই ব্রহ্মচার্য পালন করা হবে. কিন্তু যদি আপনি কোন স্ত্রী লোককে মান সম্মান দিতে না পারেন তার সম্পর্কে ভালো চিন্তাভাবনা না করতে পারেন. তাহলে আপনি কিভাবে একজন ব্রহ্মচারী হতে পারেন? ব্রহ্মচার্যের মানে হল জীবনের পঁচিশ বছর বয়স পর্যন্ত লিঙ্গের উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করে শুধুমাত্র নিজের শিক্ষা লাভ করা আর কখনোই একজন মহিলার শরীরের উপর অশ্লীল নজর না দেওয়া আর শেষ পর্যন্ত ব্রহ্মচার্য্যর পালন করে পরম আত্মার সঙ্গে মিলিত হওয়াকে ব্রহ্মচার্য বলে আপনাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ব্রহ্মচার্য্যর পালন তো অবশ্যই করছেন. কিন্তু এক সেকেন্ডের জন্য কোন মহিলা শরীর দেখানো হলে হয়তো আপনার লিঙ্গের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন না. আর এখন যদি আমি আপনাদের কোন নোংরা ছবি দেখাই তাহলে আপনারাই কমেন্ট করতে থাকবেন যে দাদা তুমি আমাদেরকে এসব কেন দেখাচ্ছ? তুমি আমাদের ব্রহ্মচার্য নষ্ট করে দিচ্ছ কিন্তু ভাই উলঙ্গ ভিডিও দেখেও নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারা দেখতেই হলো আসল ব্রহ্মচারী কারণ একজন প্রকৃত ব্রহ্মচারী তার ব্রেনকেলয়েস নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে আর সে কখনোই মহিলাদের শরীরের উপর মায়াচ্ছন্ন হয়ে পড়ে না
5. হস্তমৈথুন
গৌতম বুদ্ধর বিচারে এটাও আসে যে পৃথিবীর সমস্ত যুবকদের একটা স্বপ্ন থাকে যে সে জীবনে সফল হয়ে নিজের স্বপ্নকে পরিশ্রমের মাধ্যমে সত্যি করবে কিন্তু আজকালকার ইয়ং জেনারেশন পিচকারীর অপব্যবহারের ফলে তার নিজের জীবনকে নষ্ট করছে তার সাথে সাথে তারা তাদের নিজেদের দেশের নামকেও খারাপ করছে আপনি যেন হয়তো অবাক হবেন যে শুধুমাত্র বিদেশি অশ্লীল ভিডিওস. আমাদের দেশের যুবকরা সব থেকে বেশি দেখে থাকে. কিন্তু ভাই যদি আপনিও এই সমস্ত ভিডিওস দেখে থাকেন তাহলে আপনি আপনার জীবনের সবথেকে বড় গোলে কখনোই পৌঁছাতে পারবেন না. যদি আপনাকে কেউ প্রশ্ন করে যে আপনি কি ওই সমস্ত ভিডিও দেখেন? তাহলে আপনি তাকে অবশ্যই না বলবেন. কারণ এসব খারাপ জিনিস. নোংরা ভিডিওস দেখার মানে হল মেয়েদেরকে উলঙ্গভাবে দেখা বা তাদের কুকুরের মতো পজিশন নোংরামো করতে দেখার নেশা আছে আপনার ভেতরে. এর মানে আপনি অন্যদেরকে কুকুরের মতো নোংরামি করতে দেখছেন. আর আপনার নিজের ভেতর অনুভব করছেন. কিন্তু আসল সত্যি হলো আপনি কিন্তু বাস্তবে সেই শারীরিক সুখ কখনোই পাচ্ছেন না. শুধুমাত্র সেটাকে ফিল করার চেষ্টা মাত্র করছেন. আপনার হাতের সাহায্যে. আর এর ফলে তৈরি হওয়া হতাশা আর কষ্টের কারণে আপনি দিনরাত আপনার পিচকারির ওভার ইউজ করতে থাকেন. আর এটাই হল মানুষের সব থেকে খারাপ দোষ যার কারণে আপনি বীর্যবান পুরুষ হয়ে উঠতে পারছেন না বা কখনো পারবেন না. তাই এখন এটা আপনাকে ডিসাইড করতে হবে যা আপনাকে এভাবেই সারাজীবন পিচকারী নাড়িয়ে কাটিয়ে দিতে চান? নাকি একজনার হয়ে লাইফে কিছু বড় অ্যাচিভ করতে চান.
ধন্যবাদ. আপনার সময় অনেক, অনেক, অনেক ভালো কাটুক
0 মন্তব্যসমূহ