মুখের দুর্গন্ধ দূর করার উপায় | How To Get Rid of Bad Breath Naturally Without Investing Money

 আপনাদের মধ্যে অনেক মানুষই bad breath বা মুখে দুর্গন্ধের শিকার হয়ে থাকেন. মানে আপনার মুখের থেকে খুব বাজে একটা গন্ধ আসতে থাকে. আর এই অবস্থায় আপনি যখন অন্য কারোর সঙ্গে কথা বলেন তখন তাদের expression দেখে বোঝাই যায় যে তারা আপনার সঙ্গে কথা বলতে একটু uncomfortable feel করছে. এছাড়াও হয়তো আপনার husband, wife কিংবা কাছের কোনো মানুষ আপনার মুখে দুর্গন্ধের জন্য আপনাকে বারবার এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে. যার ফলে আপনার কনফিডেন্স লেভেল অনেক কম হয়ে যায়. এমনকি কিছু কিছু লোকেরা হয়তো আপনার পেছনে আপনার মুখে দুর্গন্ধ নিয়ে আলোচনাও করে. কিন্তু আজকের পর আপনি আপনার মুখের এই ব্যাড স্মেলের প্রবলেম থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি পেয়ে যাবেন। আর তার জন্য আপনাকে জাস্ট আজকের এই আর্টিকেলটি একদম শেষ পর্যন্ত দেখতে হবে আর আজকের বলা সলিউশন গুলি অবশ্যই নিজের লাইফে অ্যাপ্লাইও করতে হবে কিন্তু এই প্রব্লেমের সলিউশন জানার আগে আমাদের আগে এটা জানতে হবে যে মুখের এই bad small এর প্রধান কারণটা আসলে কি. পাঁচটা কারণের প্রভাবে আপনাকে এই bad smell এর শিকার হতে হয়. 

1. most common প্রবলেম টি হলো মুখে bacteria র প্রভাব. 

যদি আপনি আপনার মুখকে খাওয়ার পর ঠিক মতো পরিষ্কার না রাখেন. তাহলে খাবার খাওয়ার পর দুটো দাঁতের ফাঁকে যে খাবার আটকে থাকে. Bacteria আপনার মুখের ভেতর সেই খাবারকে ব্রেক ডাউন করার ফলে সেটা সুগার এবং ষ্টারচে কনভার্ট হয়. আর এই পুরো প্রসেসের সময় ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে আপনার মুখে কিছু গ্যাস প্রোডিউস হয়ে থাকে. যেটা আপনার মুখে দুর্গন্ধের কারণ হয়ে ওঠে. আর এভাবেই নিয়মিত ব্রাশ না করার ফলে কিংবা ওড়াল হেলথ এর যত্ন না নেওয়ার কারণে মুখের ভেতর ব্যাকটেরিয়া বাড়তেই থাকে. আর একটা সময় পর হলুদ কালারের একটা লেয়ার আপনার দাঁতের উপর পড়তে থাকে. আর এই হলুদ layer এর কারণেই আপনার দাঁত এবং দাঁতের মাড়ি. ধীরে ধীরে দুর্বল হতে শুরু করে. আর আপনার মুখ থেকে অনেক বেশি দুর্গন্ধ বের হতে থাকে. আপনাদেরকে জানিয়ে রাখি যে এই ওরাল হেলথ ডিপেন্ড করে সম্পূর্ণ আপনার খাওয়া দাওয়ার উপর. তাই নিজের ডায়েটকে ঠিক রাখার সাথে সাথে দিনে অন্তত দুবার অবশ্যই ব্রাশ করা উচিত. এবং প্রত্যেকবার খাবার খাওয়ার পর অবশ্যই ভালো করে কুলিকুচি করা দরকার. আর সব থেকে ভালো হয়. যদি আপনি সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ন্যাচারাল কোনো মাউথ ওয়াশ দিয়ে কুলিকুচি করে নেন তো কারণ শুধু মাত্র জলের স্বাদ জলটাই কুলিকুচি করা কখনোই আপনার মুখে দুর্গন্ধের সমস্যাকে সলভ করতে পারবে না. এখন অনেকের মাথায় ডাউট আসতে পারে যে বর্তমানে বাজারে যে সমস্ত মাউথ ওয়াশ পাওয়া যায় তার বেশিরভাগেই তো অ্যালকোহল প্যারাবিন প্রভৃতি কেমিক্যাল থাকে. যেগুলো আমাদের মুখের ব্যাড ব্যাকটেরিয়ার সাথে সাথে গুড ব্যাকটেরিয়া গুলিকেও নষ্ট করে দেয়. এমনকি মুখের PH level কেও disturb করে. আবার অনেক মাউথ wash use করার পর ঠিক মতো খাবারের টেস্ট পর্যন্ত পাওয়া যায় না. তাই আপনার উচিত অবশ্যই কোন ন্যাচারাল মাউথ আসার ব্যবহারের মাধ্যমে নিজের মুখকে ফ্রেশ রাখা. 

2.দ্বিতীয় কারণটি হল,

পেঁয়াজ, রসুন, মুলো, মাছ, চিজ, পিনাট বাটার. এগুলো সব এমন ধরনের খাবার. যাদের নিজেদেরই একটা স্ট্রং স্মেল থাকে. আর এগুলোকে খাওয়ার পর আমাদের মুখ থেকে অনেক বেশি স্ট্রং ইসমেল বের হয়.

3. সকালে উঠেই আপনি লক্ষ্য করবেন যে আপনার মুখ থেকে অনেক বেশি খারাপ ইসমেল আসে.

এটার কারণ কি? তো সবার প্রথমে এটা বুঝতে হবে যে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখ থেকে যে small আসে সেটা একদম normal ব্যাপার. আর এটা এই জন্যই হয় যে ঘুমানোর সময় আমাদের মুখে সালাইবা. মানে থুতুর প্রোডাকশন অনেকটা কম হয়ে যায়, সেলাই বা মুখের ব্যাকটেরিয়াকে নিউট্রলাইজ করে. তাই যদি সেলাই বা কম হয় তবে ব্যাকটেরিয়া আমাদের মুখের ভেতর বাড়তে থাকে. যেটাই সাধারণত আমাদের মুখে ব্যাড স্মেল সৃষ্টি করে. 

4. ড্রাই মাউথ.

 আপনি হয়তো খেয়াল করবেন যে আমাদের মুখ যখন শুকনো থাকে তখন আমাদের মুখ থেকে এক আলাদা ধরনের গন্ধ আসে. এখন সারাদিন ধরে মানুষ বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে থাকে. কথা বলতে থাকে. সেই কারণে জল কম পান করে. এমনকি অফিসে সারাদিন চা, কফি, smoking আর রাতে অ্যালকোহল পান করার ফলে মুখে ড্রাইনেস অনেক বেড়ে যায়. আর এই কারণেই মুখে ব্যাকটেরিয়া গ্রো করতে থাকে.তাই রেগুলারলি আট থেকে দশ গ্লাস জল অবশ্যই পান করুন. তার সাথে চা, কফি একদমই কম পান করুন. আর সিগারেট তামাক সেবন করাটা একেবারে বন্ধ করুন. অ্যান্ড আরো একটা কারণে মানুষের মাউথ ড্রাই হতে পারে. সেটা হলো যাদের মুখে সেলাইভা তৈরির পরিমাণ কম হয়ে যায়. আর এই condition সাধারণত মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া ব্যক্তিদের ভেতর দেখা যায়. অথবা সাধারণত বুড়ো লোকেদের মধ্যে আর কিছু কিছু ক্যান্সার patient এর ভেতর এবং BP র medicine খাওয়ার কারণে. এই সমস্ত medicine এর সাইড effect হিসাবে mouth dry হয়ে থাকে. তাই যদি এসব কিছুর কারণে আপনার মনে হয় যে আপনার মুখটা একটু শুকিয়ে যাছে তাহলে অবশ্যই আপনার ডেন্টিস্ট কিংবা আপনার ডক্টরের সঙ্গে একবার কথা বলে নিন. 

5. মুখের ইসমেল.

 শুধু এইসব কারণেই নয়. বরং শরীরের অন্য কোন প্রবলেমের কারণেও আসতে পারে. যেমন পেটের কোন প্রবলেম, গ্যাস্টিক প্রবলেম, আনকন্ট্রোল, ডায়াবেটিস, কিডনি প্রবলেম, অ্যাসথামা বা লিভার ডিজিজ. তাই যদি নিয়মিত আপনার মুখকে পরিষ্কার রাখার পরেও আপনার মনে হয় যে মুখ থেকে কন্টিনিউ একটা bad smell আসছে. তাহলে আপনার ডক্টরের সঙ্গে এই ব্যাপারে অবশ্যই একবার কথা বলুন. And এখনো আমি আপনাদের সঙ্গে bad reach কে দূর করার. দশটা best মেডিসিন শেয়ার করবো, আপনি ইজিলি আপনার কিচেনেই পেয়ে যাবেন. 

1. দই.

প্রত্যেকদিন দই খান দইয়ের ভেতর প্রোবায়োটিক থাকে. আর প্রোবায়োটিক আমাদের মুখে হেলদি ব্যাকটেরিয়ার প্রোডাকশনকে বাড়ায়. এবং ব্যাড ব্রীজকে কন্ট্রোলে রাখে. 

2. পাইন আপেল জুস.

 এক গ্লাস পাইন আপেল জুস আপনি আপনার খাবার খাওয়ার পর পান করতে পারেন. বা এক টুকরো পাইন আপেলও খেতে পারেন.

 3. মৌরি বা এলাচ. 

খাবার খাওয়ার পর পরই আপনি মৌরি কিংবা এলাচ খেতে পারেন. যেগুলো ন্যাচারালি আমাদের ব্রেডকে ফ্রেশ রাখে. 

4. অরেঞ্জেস.

 লেবুতে থাকে ভিটামিন সি, আর আমাদের উচিত অনেক বেশি করে ভিটামিন সি যুক্ত ফল খাওয়া. ভিটামিন সি আমাদের মুখের স্যালিভার পরিমান বৃদ্ধি করে. আর খারাপ গন্ধকে কন্ট্রোলে রাখে. 

5. দুধ. রিসার্চ বাই স্টাডিজ বলে.

 গার্লিক মানে রসুন খাওয়ার কিছু সময় পর আপনি যদি হাফ কাপ দুধ খেতে পারেন. তাহলে দুধ. গার্লিকের ওই স্মেলকে নিউট্রালাইস করে 

6. জল.

 সারাদিনে কম করে আপনার আট থেকে দশ গ্লাস জল অবশ্যই পান করা উচিত. যাতে আপনার মুখের দুর্গন্ধ অনেক কন্ট্রোলে থাকবে.

7. গ্রিন টি.

 অফিসেও ডে টু ডে লাইফে নর্মাল চা কফির বদলে আপনি গ্রিনটি পান করতে পারেন. গ্রিনটিতে আন্টি অক্সিডেন্ট থাকে. যেটা বডির জন্য অনেক বেশি উপকারী. আর আপনার মুখকে অলওয়েজ ফ্রেশ রাখবে.

 8. বেকিং সোডা.

 দুটো ছোট চামচে বেকিং সোডাকে এক কাপ গরম জলে মিশিয়ে. মাউথ ওয়াশের মতো করে. সেই জলটা তিরিশ সেকেন্ড ধরে মুখের ভেতর ভালো করে কুলিকুচি করুন. 

9. ভিনিগার.

 দু চামচ আপেল সেডার ভিনিগারকে এক কাপ জলে মেশান. এবং সেই জল তিরিশ সেকেন্ডের মতো মুখের ভেতর ভালোভাবে কুলিকুচি করে মুখ ধুয়ে ফেলুন. 

10. ধনেপাতা.

 খাবার খাওয়ার পর আপনি ধনেপাতা চিবোতে পারেন সেটাও আপনার মুখকে ফ্রেশ রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করবে. তো এগুলোই ছিল কিছু সহজ উপায় যা খুব সহজেই আপনার মুখের খারাপ গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে. আর এই সব কিছুর সাথে সাথে আমি আপনাকে বলবো যে প্রত্যেক ছ মাস অন্তর. আপনার ডেন্টিস্টের কাছে অবশ্যই ভিজিট করুন. আপনার দাঁত এবং মুখকে পরিষ্কার করুন. এবং ওরাল হাইজেনের উপর ভালো করে খেয়াল রাখুন.

 যদি আপনার কাছে এই সমস্ত রেমেডি গুলিকে পালন করার জন্য যথেষ্ট টাইম না থেকে থাকে তাহলে আগেই আমি যেমনটা আপনাদেরকে বললাম যে ডেইলি অন্তত দুবার করে ব্রাশ করুন.

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ